• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জামানত হারালেন তিন প্রার্থী নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত

সৈয়দপুরে ২১৭ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই

সিসি নিউজ: ভাষা আন্দোলনের ৬৫ বছরেও নীলফামারীর সৈয়দপুরের বেশিরভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গড়ে ওঠেনি শহীদ মিনার। এমনকি শহর এলাকাতেও নেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। উপজেলার প্রাথমিক, মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ-মাদ্রাসা কিন্ডার গার্টেন মিলে ২৩৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাত্র ১৮টি প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার রয়েছে। তবে কোনো মাদ্রাসায় শহীদ মিনার নেই।
সরকারি বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে শহীদ মিনার নির্মাণে সরকারি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির অবহেলা, অর্থের অভাব ও প্রশাসনিক তদারকি না থাকায় প্রতিষ্ঠানগুলোতে শহীদ মিনার গড়ে তোলা হয়নি। এতে নতুন প্রজন্মের মধ্যে ভাষা আন্দোলনের চেতনা জাগছে না। এতে করে ভাষা আন্দোলনের সঠিক ইতিহাসও জানতে পারছেন না।
উপজেলা শিক্ষা দপ্তরের সূত্র মতে, উপজেলার ১৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার রয়েছে। এর মধ্যে ৭৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৯টি, মাধ্যমিক ২৮টি স্কুলের মধ্যে ৩টি, উচ্চ মাধ্যমিক ২৭টি কলেজের মধ্যে ৬টি কলেজে শহীদ মিনার রয়েছে। তবে সৈয়দপুরের ১৬টি মাদ্রাসা ও ৮৭টি বেসরকারি কিন্ডার গার্টেন স্কুলে কোনো শহীদ মিনার নেই। বছরের অধিকাংশ সময় নির্মিত শহীদ মিনার অযত্ন আর অবহেলায় পড়ে থাকে। কেবল অমর একুশে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আগে ধুয়েমুছে সাফ করা হয়।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আহসান হাবিব জানান, প্রত্যেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার থাকা প্রয়োজন। এ কাজে ম্যানেজিং কমিটি অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারেন বলে মন্তব্য করেন তিনি। এদিকে সৈয়দপুর শহর এলাকা অবাঙালিদের আধিক্যের কারণে শহর এলাকায় বাংলার পাশাপাশি এখনও উর্দুতে মাইকিং করা হচ্ছে। সৈয়দপুরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণের জোর দাবি উঠেছে। এখানে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার না থাকায় শহরের বাইরে সৈয়দপুর কলেজের শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষ ফুল দিয়ে শহীদদের শুভেচ্ছা জানিয়ে আসছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ